শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চুমকি আপার পক্ষে নেত্রকোনায় ত্রান বিতরন পদ্মা সেতু উদ্ভাধন উপলক্ষে কালীগঞ্জে বিজয় র‌্যালী কালীগঞ্জে সেলাই মেশিন , কৃষকের মাঝে সার ও যুব উন্নয়নের ঋণ বিতরণ দেলদুয়ারে বিনামুল্যে সার বীজ বিতরণ কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে শোভাযাত্রায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছেলে ও ছেলে বৌয়ের বিরুদ্ধে বাবা মা কে মারধোর অভিযোগ থানায় মামলা যান্ত্রিক এবং মানবিক ক্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে কালীগঞ্জে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা কালীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ভাতা বিতরণ 

নিজ সন্তানকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি

রিপোটারের নাম / ২৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২২


নিজস্ব প্রতিবেদক

এবার অভাবের তাড়নায় ১৮ দিনের মেয়ে শিশু সন্তানকে মাত্র দশ হাজার টাকায় বিক্রয় করলে তার মা-বাবা। এক প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে সেই ওই শিশুটিকে বিক্রয় করে কিন্ত তাদের সন্তান বিক্রির সিংহভাগ টাকা নিয়ে গেছে তারা । পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় থানা পুলিশ ওই শিশুকে উদ্ধার করে।

থানা সুত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে নেছারাবাদ থানা পুলিশের একটি দল ওই দম্পতিকে খুঁজে বের করে ঢাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর শুক্রবার শিশুটিকে তার মা–বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামে। দরিদ্র ওই বাবার নাম পরিমল ব্যাপারী (৫৫)।

স্থানীয় পরিমল ব্যাপারী বলেন, তার কোনো জায়গা-জমি নেই। অন্যের ঘরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাস করেন। তিনি বিয়ের ঘটকালী করে কোনরকম সংসারের আহার মেতাতে হিমসিম খেতে হয়। মানুষের কাছে হাত পেতে যা পান, তা দিয়েই সংসার চলে।

সমপ্রতি তার স্ত্রী একটি মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন। কদিন পর উপজেলার দুর্গাকাঠি গ্রামের বিজন হালদার ও রনজিত কুমার তার কাছে আসেন। তারা বলেন, মেয়েটিকে এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে দত্তক দিলে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেবেন। মেয়েটিও সেখানে ভালো থাকবে। অভাবের কারণে তিনি শিশুটিকে দত্তক দিতে রাজি হন।

পরিমলের স্ত্রী কাজল ব্যাপারী বলেন, তাদের কাছে ঢাকা থেকে প্রাইভেট কারে করে একটি বড়লোক পরিবার যায়। তারা বিজনের কাছে টাকা দেন। এরপর তার বাচ্চাটি নিয়ে যান। বিজন তাদের শুধু ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এরপর থেকে বিজনকে তারা আর খুঁজে পাননি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিজন হালদার দাবি করেন, দরিদ্র পরিমলের মেয়ের ‘ভবিষ্যতের কথা ভেবে’ ধনাঢ্য নিঃসন্তান এক দম্পতির কাছে দত্তকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে টাকা লেনদেনের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে ফোন কেটে দেন তিনি।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি মো. আবির মোহাম্মাদ হোসেন জানান, শিশুটিকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে শিশুটিকে বিক্রির কথা তিনি শুনেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ