শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চুমকি আপার পক্ষে নেত্রকোনায় ত্রান বিতরন পদ্মা সেতু উদ্ভাধন উপলক্ষে কালীগঞ্জে বিজয় র‌্যালী কালীগঞ্জে সেলাই মেশিন , কৃষকের মাঝে সার ও যুব উন্নয়নের ঋণ বিতরণ দেলদুয়ারে বিনামুল্যে সার বীজ বিতরণ কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে শোভাযাত্রায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছেলে ও ছেলে বৌয়ের বিরুদ্ধে বাবা মা কে মারধোর অভিযোগ থানায় মামলা যান্ত্রিক এবং মানবিক ক্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে কালীগঞ্জে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা কালীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ভাতা বিতরণ 

দুটি করে গুলি করা হয় তিনজনকে

রিপোটারের নাম / ৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১

দুটি করে গুলি করা হয় তিনজনকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

কুষ্টিয়া শহরে প্রকাশ্যে মা-ছেলেসহ তিনজনকে দুটি করে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর এ তথ্য জানা গেছে। কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে লাশগুলোর ময়নাতদন্ত করার পর চিকিৎসক আজ রোববার বিকেলে এসব তথ্য জানান।

ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের নাম তাপস কুমার সরকার। তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও)। বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত লাশ তিনটির ময়নাতদন্ত করার পর গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, তিনজনকে দুটি করে ছয়টি গুলি করা হয়েছে। প্রত্যেকের মাথায় কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রথমে ময়নাতদন্ত করা হয় শাকিল খানের, তার মাথার বাম পাশে গুলি করা হয়েছে। এ ছাড়া তার ডান পায়ের ঊরুতে গুলির চিহ্ন রয়েছে। আসমা খাতুনের মাথা ও গলায় গুলির চিহ্ন রয়েছে। শিশু রবিনের মাথায় ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে।

ময়নাতদন্তের সময় কারও শরীরেই গুলি পাওয়া যায়নি। তাপস কুমার সরকার জানান, ধারণা করা হচ্ছে নিহতদের শরীর ভেদ করে গুলিগুলো বাইরে বেরিয়ে গেছে। শিশু রবিন দৌঁড়ে পালানোর সময় তাদের গুলি করা হয়। প্রথমে তাকে পিঠে গুলি করা হয়, এতে সে পড়ে যায়। পরে হত্যাকারী তার মাথায় গুলি করে।

আজ রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে শহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাস্টমস মোড় এলাকায় হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পর পর তিনটি গুলির শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তারা দেখতে পান, শিশু রবিন, শাকিল ও আসমা মাটিতে পড়ে আছেন। ঘটনাস্থলে রবিন ও তার মা আসমার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় শাকিলকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত সকলেই কুমারখালীর নাটুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তবে তারা কুষ্টিয়া শহরে থাকতেন। গুলিতে নিহত শাকিল বিকাশের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।

এ ঘটনায় খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সৌমেন রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটিও জব্দ করেছে পুলিশ। তার বাড়ি মাগুরা সদর উপজেলার আসপা গ্রামে। শাকিল খানের বাবা মেজবার রহমান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে মামলার এজাহার দায়ের করেন। রাত ৮টার মধ্যে মামলা রেকর্ড হওয়ার কথা ছিল।

এএসআই সৌমেন রায় বরখাস্ত, তদন্ত কমিটি

আজ রোববার বিকেলে এএসআই সৌমেন রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় খুলনা রেঞ্জ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জের দুজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ কুষ্টিয়ায় এক পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা জেলার পুলিশ সুপার মাহবুব রহমান বলেন, ঘটনা জানার পর সৌমেন রায়কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এরপর তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে সর্বশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ