শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চুমকি আপার পক্ষে নেত্রকোনায় ত্রান বিতরন পদ্মা সেতু উদ্ভাধন উপলক্ষে কালীগঞ্জে বিজয় র‌্যালী কালীগঞ্জে সেলাই মেশিন , কৃষকের মাঝে সার ও যুব উন্নয়নের ঋণ বিতরণ দেলদুয়ারে বিনামুল্যে সার বীজ বিতরণ কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে শোভাযাত্রায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছেলে ও ছেলে বৌয়ের বিরুদ্ধে বাবা মা কে মারধোর অভিযোগ থানায় মামলা যান্ত্রিক এবং মানবিক ক্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে কালীগঞ্জে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা কালীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ভাতা বিতরণ 

তিন কূলাঙ্গার সন্তানের কান্ড, বাবাকে ফেলে রেখেছে উঠনে

রিপোটারের নাম / ৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১

তিন কূলাঙ্গার সন্তানের কান্ড, বাবাকে ফেলে রেখেছে উঠানে

ছেলের বাসার সামনে উঠানের মেঝেতে পড়ে বয়স্ক বাবা শফিকুল ইসলাম

পিতা বৃদ্ধহলে এই বয়সে ছেলে মেয়দের সেবা পাওয়ার কথা, এখন তাদের বাবা শফিকুল ইসলামের বয়স ৯৫ কিন্তু, তার বার্ধক্য ভর করা শরীরটিকে ফেলে রাখা হয়েছে উঠানে। তিন বেলা খেতে পান কিনা, তাও হয়ত খেয়াল রাখে না পরিবারের অন্য সদস্যরা। নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত স্বাবলম্বী সন্তানেরা। বিষয়টি জেলা প্রশাসক অবগত হন। এ অমানবিক ঘটনায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল ইকবাল ও রাজীব হোসেন। আজ শুক্রবার তারা উদ্ধার করেন শফিকুল ইসলামকে। পৌঁছে দেন মেয়ের বাড়িতে।

ঘটনাটি লক্ষীপুর পৌরসভার। জানা গেছে, আজ শুক্রবার শফিকুল ইসলামকে তার এক ছেলে নিজের বাসা থেকে বের করে এলাকার মেঘনা সড়কের পাশে অবস্থিত অন্য ছেলের বাড়ি স্বপ্ন মহলের উঠানে ফেল রাখেন। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল ইকবাল ও রাজীব হোসেন তাকে উদ্ধার করে। কথা বলেন ছেলেদের সঙ্গে। কিন্তু তারা বাবার দায়িত্ব না নিতে চাননি। এ খবর পেয়ে বড় মেয়ে সুরাইয়া বেগম পৌরসভার মজুপুর এলাকা থেকে বাবাকে নিতে আসেন। পরে তার বাড়িতেই পৌঁছে দেওয়া হয় শফিকুল ইসলামকে।
তিার অবস্থা দেখে কেদে মেয়ে সুরাইয়া বলেন, বাবা তিল-তিল করে আমাদের জন্য সম্পত্তি গড়েছেন। তিনি খেয়ে না খেয়ে তিন ছেলেসহ আমাদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু অসুস্থ বাবাকে পাষণ্ডের মতো ছেলেরা ঘর থেকে বাহিরে ফেলে রেখেছেন। এ কষ্ট ভুলতে পারবেন না তিনি।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক বছর ধরে শফিকুল ইসলাম বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। তিনি এক সময় ছাপাখানায় কাজ করতেন। দুই বছর আগে তিনি চার ছেলে ও তিন মেয়েকে জমিজমা ভাগ করে দেন। ছেলেদের মধ্যে শাহ আলম অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য, জাহাঙ্গীর আলম বিজিবি সদস্য, আলমগীর হোসেন প্রবাসী। অন্য ছেলে সোহাগ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিলাসবহুল বহুতল বাড়ি রয়েছে। অসুস্থ অবস্থায় শফিকুল ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের বাসায় ছিলেন। কিন্তু বাবার পরিচর্যা করতে অনীহা দেখিয়ে শুক্রবার সকালে ৯ টার দিকে বাসা থেকে বের করে অন্য ছেলে আলমগীর হোসেনের বাসা স্বপ্ন মহলের সামনে উঠানে ফেলে রাখেন। এরপর কোনো ছেলেই অসুস্থ বাবাকে ঘরে তোলেননি। পরে এলাকাবাসী প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। স্থানীয়রা বলেন এরা সন্তান না এরা কূলাঙ্গার সন্তান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ