বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০২:২১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জিনের ভয় দেখিয়ে শিশুকে বলৎকার

রিপোটারের নাম / ৭২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জিনের ভয় দেখিয়ে শিশুকে বলৎকার
কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধি :
জিনের ভয় দেখিয়ে টানা ১৫ দিন ৯ বছরের এক শিশুকে বলাৎকার করে আসছিল শাহাদাৎ হোসেন(২৪)নামের মসজিদের সহকারী এক মোয়াজ্জিন। অবশেষে শিশুটি তার পরিবারের কাছে অভিযোগ দিলে ঘটনা মোড় নেয়। পরিবারের লোকজ বিষয়টি জানান স্থানীয় কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতার কাছে। পরে তাদের গড়িমসিতে নির্যাতিত শিশুটির বাবাকে থানায় না যেতে উদ্ভুদ্ধ করে তারা। পরে গ্রাম্য শালিসি বিচার। শালিষির মাধ্যমে কোন াবচারের াবধান না থাকলেও নিজেদের দায়ীত্বে তা করতে উদ্ভোগ নেয়। বিচারে অপরাধী শাহাদাৎকে মাটিতে থুতু ফেলে মুখ দিয়ে চেটে তোলায় এবং ২০ বার কান ধরে উঠা বসা করানোর পর তাকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ রায় দেন সবেমাত্র নির্বাচিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আ’লীগ ও যুবলীগ নেতৃবৃন্দ্রের গ্রাম্য শালিশ বোর্ড।
ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ পৌর সভার তুমুলিয়া গ্রামে মেজবাহ উদ্দিনের ছেলে।সে পাশের গ্রামের দূর্বাটি আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও তুমুলিয়া মসজিদের সহকারী মোয়াজ্জিনের কাজ করে।আর র্নিযাতনের শিকার ওই শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেনীতে অধ্যায়রত। গত সোমবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান র্নিযাতনের শিকার ওই শিশুর পিতা। তিনিি জানান, সাহাদাৎ আরবি পড়তে যানতো। তাই তাকে বলেছিলাম আমার বাড়িতে এস আরবি পড়াতে। তবে সে বাড়িতে এসে পড়াতে পারবেনা বলে এবং তার বাড়িতে সন্ধ্যার পর পাঠাতে বলে। কথামতো তার ছেলেকে তার ছেলেকে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর পাঠনো হতোশাহাদাতের বাড়িতে। তার ছেলেসহ আরো ১০/১৫জন আরবি পড়তো শাহাদাতের কাছে। শাহাদাতের বাড়ির পাশে ২য় তলায় সবাইকে আরবি পড়পতো। গত ১ সপ্তাহ আগে তার ছেলে আরবি পড়তে যেতে অনিহা প্রকাশ করে এবং বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। ওই দিন পড়তে যেতে দেরি হওয়ায় বাড়িতে এসে খোজ নেয় শাহাদাত। পরে তার ছেলেকে পাঠানোর চেষ্ঠা করলে কান্নাকাটি করে। এ সময় পরিবারের কাছে মূল ঘটনা খুলে বলে। ছেলের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা বাজলে অন্য ছেলেদের ছুটি দিয়ে দিত লম্পট শাহাদাত। পরে দুতালার ওই রুমটি তালাদিয়ে আটকে দিত এবং জিনের ভয় দেখিয়ে তার ছেলেকে বলৎকার করতো। এ ঘটনা কাউকে বল্লে তার নসাথে থাকা জিন শিশুটির ক্ষতি করবে বলেও ভয় দেখাতো সাহাদাত। তিনি আরো জানান, কালীগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইব্রাহীম মোল্লা ওরফে চান্দু মোল্লা এবং ওই ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর আফছার আহাম্মেদসহ স্থানীয় আ’লীগ, যুবলীগ নেতৃবিন্দকে জানানো হয়। তারা ১০/১৫দিন আগে শলিস বসিয়ে শাহদাতকে মারধর করে। বিচারে তিনি সন্তস্ট না হওয়ায় গাজীপুর এসপির কাছে যাওয়ার ভয় দেখান। পরে গত রোববার দুপুরে আবারও বিচার বসানো হয়। এতে শাহদাতকে বিচারকরা মাটিতে থুথু ফেলে চেটে তোলায় এবং ২০ বার কানধরে উঠ-বস করায় এবং তাকে গ্রাম ছাড়তে বলে। তবে তিনি ওই কাউন্সিলরের কথায় এবং নিজের স¤œানহানীর চিন্তা করে থানা পুলিশে খবর দেয়নি বলেও জানান ওই নির্যাতিত শিশুটির পিতা। এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইব্রাহীম মোল্লাহ ওরফে ান্দু মোল্লা জানান, এর আগের এই শাহাদাৎ জিনের ভয় দেখিয়ে পানি পড়া দিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন আবার এই ঘটনা করলো। টাকা পয়সা থরচ হবে বলে তারেকে থানা –পুলিশে যেতে নিরুৎসাহীত করা হয়েছে। তাছাড়া আমার বয়স হয়েছে তাই নতুন কাউন্সিলরদায়িত্ব নিয়েছে বিচার করার , তাই আমি আর কিছু বলিনি। সাংবাদিকদের উৃদ্দেশ্যে তিনি বলেন যদি আপনাদের পক্ষে কিছু করার থাকে তাহলে সহযোগীতা করেন। এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া দরকার। নব নির্বাচিত কাউন্সিলর আফছার আহম্মেদ বলেণ, আসলে বিষয়টি বড়করে দেখণে অনেক কিছু। আমরা গ্রাম্য শালিসির মাধ্যমে তার বিচার করে দিয়েছে। একবার বিচার করার পর ওই পরিবারের পছন্দ হয় নাই তাই আবার বিচার করা হয়েছে। তবে বিচারের সময় আসামীকে পুলিশে তুলে দিতে বলেছিলেন। আর শালিসের সয় আমি না কাউন্সিলর চান্দু মোল্লা ও স্থানীয় আ’লীগ, যুবলীগ, নেতৃবিন্দ ছিলেন। তবে বিষয়টি নিয়ে পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি না করার জন্য প্রতিবেদককে তিনি অনুরোধ করেন। নাম না প্রকাশে ইচ্ছুক অভিযোগ করে বলেন, আসলে গোপনে আতাত করে নামমাত্র বিচার করা হয়েছে। -আ’লীগ-যুবলীগ বলৎকারের বিচার করেন
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মিজানুল হকবলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই\ আমি যদ্দুর জানি বিষয়টি নিয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। কেউ আসলে অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ