সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে মুরগির দাম, সবজিও চড়া

রিপোটারের নাম / ২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১০ জুন, ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ১০,

ঢাকা : বাজারে সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ১৪০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার মুরগি শুক্রবার (১০ জুন) বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে। ২৮০ টাকায় বিক্রি হওয়া প্রতিকেজি সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়। রাজধানীর বাজারগুলোতে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

খিলগাও বাজারে মুরগি বিক্রেতা আলম বলেন, পাইকারী বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতিকেজি মুরগিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়তি দামে আমাদের কিনতে হচ্ছে। এজন্য আমরাও বাড়তি দামে বিক্রি করছি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনেই পুরো সপ্তাহের বাজার করে রাজধানীর মানুষ। বাজারে আসলেই অসস্তি বেড়ে যায় স্বল্প আয়ের মানুষের। সপ্তাহে একদিন বাবা-মা বা সন্তানদের আমিষের চাহিদা মেটাতে গরু-খাসির মাংস খাওয়াতে চাইলেও তা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে মুরগিতেই ভরসা তাদের। সেই মুরগির দামও বেড়ে যাওয়া দুশ্চিন্তার ভাজ এসকল স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে।

শুক্রবার (১০ জুন) বাজার সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতো ৪০ টাকার নিচে কোন সবজিই মিলছেনা। পটল, ঢেঁড়স, ঝিঙে, চিচিঙ্গার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। কাঁচ কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০ টাকা, বড়বটির কেজি ৬০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৪০ টাকা।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ২০ টাকা।

বাজারে আলুর আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। আর একটু ভাল মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। বার্মার আদার কেজি ৬০ থেকে ৭০টাকা। চায়না আদার দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ১০০ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

ঈদের আগে কেজি ৭০০ টাকা উঠে যাওয়া গরুর মাংসের দামেও কোনো পরিবর্তন আসেনি। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা বিক্রি করছেন। তবে মহল্লার সাপ্তাহিক ব্যবসায়ীরা গরুর মাংসের কেজি বিক্রি করছেন ৭২০ টাকা কেজি।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। তেলাপিয়া, পাঙাস মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। শিং মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৬০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। কৈ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা। পাবদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এসব মাছের দামে পরিবর্তন আসেনি।

তবে ইলিশ মাছের দাম কিছুটা বেড়েছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪০০ থেকে ১৭০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৩০০ থেকে ১৬০০ টাকা। ৬০০-৭০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ