বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০২:২২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

কালীগঞ্জ জামালপুরের ভূয়া ডাক্তার আমানউল্লাহসহ গ্রেফতার-৬

রিপোটারের নাম / ৪৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ এপ্রিল, ২০২২

কালীগঞ্জ জামালপুরের ভূয়া ডাক্তার আমানউল্লাহ গ্রেফতার
কালীগঞ্জ প্রতিনিধি :
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) জানায়, গত বুধবার রাজধানীর মালিবাগের প্যারামাউন্ট টাওয়ারে অভিযান চালিয়ে ৫ ভুয়া চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির উপাচার্য নুরুল হক সরকার ওরফে শেখ গনি সরকার(৭২), তাঁর সহযোগী মোয়াজ্জেম হোসেন (৫৮) এবং ভুয়া চিকিৎসক সাইদুর রহমান ওরফে নজরুল
(৩০), মাহফুজুর রহমান ওরফে মাহফুজ (৩৭), ভুয়া চিকিৎসক আমান উল্লাহ (৩৮) ও দেবাশীষ কুন্ড (৫২)। এই চার ‘চিকিৎসক’ প্রতিষ্ঠানটি থেকে এমবিবিএসের ভুয়া সনদ নিয়ে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত ছিলেন।

জানা যায়, এদের মাঝে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের মেন্দিপুর গ্রামের মৃত: হাবিজ উদ্দিন ছেলে ও মেন্দিপুর বায়তুল নুর জামে মসজিদের ইমাম আমজাদ হোনের ভাই, আমান উল্লাহ ৪ ভাই ৪ বোনের মাঝে সর্ব কনিষ্ট। প্রথম অবস্থায় চুপাইর জামিউল উলুম আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৯৯৮ সালে দাখিল পাশ করে, পরে আলিম পাশ করে ডাক্তার বনে যায়। সেই ডাক্তারির পরিচয় দিয়ে প্রথম প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে গাজীপুর ভোগরা এলাকায় ধুমধাম করে বিয়ে করেন। বর্তমানে তার ২ সন্তান রয়েছে। তার ভিজিটিং কার্ডে দেখাযায়, ডা, মো, আমানউল্লাহ, এম,বি,বি,এস (ঢাকা) সি এম ইউ,ডি এম ইউ(ঢা:বি:)। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ পাঠাগার ভাইস প্রেসিডেন্ট, কেন্দ্রিয় কমিটি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) জানায়, ৫ সদস্য আটকের সময় তাদের কাছ অসংখ্য ভুয়া চিকিৎসা সনদ, প্রশংসাপত্র, ট্রান্সক্রিপ্ট, নিবন্ধন কার্ড, প্রবেশপত্র ও নকল সিল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের চারটি চেক, লিফলেট, প্রেসক্রিপশন, অসংখ্য ভিজিটিং কার্ড, একটি সিপিইউ ও একটি প্রিটার জব্দ করা হয়। পাঁচ থেকে ২৫ লাখ টাকায় বিক্রি হতো এমবিবিএসের ভুয়া সনদ বিক্রয় হত।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। নুরুল হকসহ আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে রমনা থানায় মামলা হয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, রাজধানীর একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান। নেই প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন। মূল কাজ ভুয়া সনদ বিক্রি করা। এমবিবিএস, বিডিএস, প্রকৌশল, এমফিল, পিএইচডি সব ধরনের ভুয়া সনদ পাওয়া যায় এখানে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে দেড় হাজারের বেশি ভুয়া সনদ বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। একেকটি সনদ বিক্রি বাবদ নেওয়া হয়েছে পাঁচ থেকে ২৫ লাখ টাকা। এভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ভুয়া সনদ বিক্রির সংঘবদ্ধ একটি চক্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ