শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চুমকি আপার পক্ষে নেত্রকোনায় ত্রান বিতরন পদ্মা সেতু উদ্ভাধন উপলক্ষে কালীগঞ্জে বিজয় র‌্যালী কালীগঞ্জে সেলাই মেশিন , কৃষকের মাঝে সার ও যুব উন্নয়নের ঋণ বিতরণ দেলদুয়ারে বিনামুল্যে সার বীজ বিতরণ কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে শোভাযাত্রায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছেলে ও ছেলে বৌয়ের বিরুদ্ধে বাবা মা কে মারধোর অভিযোগ থানায় মামলা যান্ত্রিক এবং মানবিক ক্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে কালীগঞ্জে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা কালীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ভাতা বিতরণ 

কবজি হারানো কনস্টেবলকে ঢাকায় আনা হলো হেলিকপ্টারে

রিপোটারের নাম / ৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 

চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন হওয়া পুলিশ সদস্য মো. জনি খানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অপর পুলিশ সদস্য শাহাদাত হোসেনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৫ মে) বিকালে তাকে চট্টগ্রাম থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়।

চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান জানান, লোহাগাড়া থানার কনস্টেবল জনি খান রোববার সকালে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লালাখিল গ্রামে পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করতে যায়। এ সময় আসামি তার বাম হাতে দা দিয়ে কোপ দিয়ে পালায়। দায়ের কোপে জনি খানের বাম হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তার শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বিকাল ৩টার দিকে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তে হেলিকপ্টারে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

লোহাগাড়া থানার এসআই ভক্ত চন্দ্র দত্ত বলেন, কনস্টেবল জনিকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। আমিও তাদের সঙ্গে ঢাকায় এসেছি। বর্তমানে আল মানার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার অপারেশন চলছে।

লোহাগাড়ার পদুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ জানান, সকালে ইউনিয়নের লালাখিল গ্রামে পুলিশের একটি দল কবির আহমেদ নামে পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে গ্রেফতার করতে যায়। তার বিরুদ্ধে মারামারি ও ভাঙচুরের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। মামলাটি গত কয়েক মাস আগে পার্শ্ববর্তী চরম্বা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. কালু দায়ের করেছিল। তাকে গ্রেফতারের জন্য গেলে সে এক পুলিশের হাতে দায়ের কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ