বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০১:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ

আর্ন্তজাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, যুব ঋণের চেক প্রদান ও শিক্ষাসনদ বিতরণ

রিপোটারের নাম / ৬৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১

আর্ন্তজাতিক যুব দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, যুব ঋণের চেক প্রদান ও শিক্ষাসনদ বিতরণ

কালীগঞ্জ(গাজীপুর)প্রতিনিধি :

আর্ন্তজাতিক যুব দিবস উপলক্ষে গাজীপুরের কালীগঞ্জে আলোচনা সভা, যুব ঋণ চেক প্রদান ও প্রশিক্ষন সনদ বিতরণ করা হয়েছে।
সকালে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা যুব উন্নয়ন কার্যালয়ের আয়োজনে এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস.এম তরিকুল ইসলাম।

সকালে তিনি কালীগঞ্জ থানা, পৌর ভুমি অফিস, নবর্নিমিত পাঠাগারের কাজ পরিদর্শণ শেষে উপজেলা প্রাঙ্গনে ভিক্ষুক পুর্নবাসন অনুষ্ঠানে যোগদান করে। এ সময় তুমুলিয়া এলাকার ভিক্ষুক ইলিয়াস’কে একটি রিক্সা প্রদান করেন। পরে এক প্রশ্নের জবাবে জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম জানান, ভিক্ষুকদের পূর্নবাসন এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সুপারভাইজিং করা হয়। পূর্নবাসন একটি জটিল কাজ তাদেরকে একটি মডিবার্সন করা সবচেয়ে বড় কাজে, যাতে সে ফিরে না যায়, মডিবেশনে বিভিন্ন উপজেলায় ভালো ফল পাচ্ছি। যাদের মডিফাইট করে ফেরানোগেছে তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছে। এটি সমাজ সেবা ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অর্থায়ন করে থাকে। এটি অধিদপ্তরের একটি চলমান প্রকৃয়া। শরিরীকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ একজনকে একটি রিক্সা প্রদান করা হয়েছে তার ছেলে ওই রিক্সা চালাবে আশাকরি সে আগের জীবনে ফিরে যাবে, তার ছেলে এটি চালিয়ে সংসার চালাবে। এটা বাস্তবায়নের জন্য লোকাল একটি কমিটি করা আছে, সেটি সব সময় পর্যবেক্ষনে রাখবেন যে এরা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে ফিরেছেন কিনা।

পরে তিনি, উপজেলা যুব উন্নয়নের মাধ্যমে ২ জনকে ৬০ হাজার টাকা করে ঋণের চেক ও ৩০ জনের মাঝে প্রশিক্ষন সনদ বিতরণ করেন। সর্বশেষে ইসরাত জাহানের উপস্থাপনায় ও লিটন আহমেদের সার্বিক পরিচালনায় বিআরডিবি থেকে প্রণোদনার ঋণ গ্রহন করেন রোজলিন রোজারিও, ডায়না রোজারিওকে দেড়লাখ টাকা করে মোট ৩ লাখ এবং সিরাজুল ইসলামকে ২ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন।
পরে তিনি ঈসাখা সমাধিস্থল পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আগেই প্রতœতাত্ত¡ীক অধিদপ্তর থেকে উদ্বোগ নেয়া হয়েছিল, তারা মন্ত্রনালয়ে এটা সংরক্ষন জন্য লিখেছিল। আমরা স্থানীয়ভাবে এটাকে সংরক্ষনের ব্যবস্থা নিয়েছি। এখানে যাওয়ার জন্য একটি রাস্তা নির্মান করা হয়েছে, এর স্মৃতিকে সংরক্ষন করার জন্য একটি মাজার বা কমপ্লেক্স করার উদ্ব্যোগ নিয়েছি। খুর শিগ্রী এটি র্নিমানকাজ শেষ হলে প্রত্বতাত্বীক অধিদপ্তরে আমরা লিখে জানাবো এটা খুব শীঘ্রই যেন তালিকাভুক্তি করা হয়, যাতে করে সারা দেশের মানুষ সরেজমিনে এসে জ্ঞ্যান অর্জন করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ