শনিবার, ০২ জুলাই ২০২২, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
চুমকি আপার পক্ষে নেত্রকোনায় ত্রান বিতরন পদ্মা সেতু উদ্ভাধন উপলক্ষে কালীগঞ্জে বিজয় র‌্যালী কালীগঞ্জে সেলাই মেশিন , কৃষকের মাঝে সার ও যুব উন্নয়নের ঋণ বিতরণ দেলদুয়ারে বিনামুল্যে সার বীজ বিতরণ কালীগঞ্জে পরিত্যক্ত ঘর থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শ্যামনগরে শোভাযাত্রায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ছেলে ও ছেলে বৌয়ের বিরুদ্ধে বাবা মা কে মারধোর অভিযোগ থানায় মামলা যান্ত্রিক এবং মানবিক ক্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে কালীগঞ্জে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রনয়ণ বিষয়ক কর্মশালা কালীগঞ্জে নারী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ভাতা বিতরণ 

আমার শৈশব ও ছেলেবেলা, লেখক: মো:মুর্শিদ উজ জামান

রিপোটারের নাম / ১৫৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১

# আমার ছেলেবেলা #

মো:মুর্শিদ উজ জামান

কালের গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে স্মৃতির পাতা থেকে আমাদের শৈশবের সেই সাদা- কালো সাদামাটা দিনগুলি। আমরা যারা বয়সটাকে উল্টো দিক থেকে গোনা শুরু করেছি অর্থাৎ হাফ সেন্চুরির আশেপাশে আছি তাদের শৈশবটা মুটামুটি কাছাকাছি ধরনেরই ছিল ধরে নেয়া যায়। আমি তৎকালীন আমার নিজের জীবনের শৈশব , কৈশোরের কিছু চিত্র যতোটা মনে পড়ে তুলে ধরার চেষ্টা করব এখানে।
চলুন না এক পলকে ঘুরে আসি অতীতের সেই দিনগুলোতে।

আমার ছেলেবেলা কেটেছে কুমিল্লা শহরের তালপুকুর পাড়ে। বাবার চাকরীর সুবাদে জীবনের অনেকটা সময়ই কাটিয়েছি কুমিল্লায়।
বাবা ব্যাংকার অর্থাৎ সরকারী চাকুরীজীবি ছিলেন। সীমিত আয় .. এক কথায় মধ্যবিত্তের সংসার। সে যুগে অবশ্য সরকারী চাকুরী ছিল সোনার হরিনের মতো অনেকটা। অনেক পরীক্ষার নিরিখে সরকারী চাকরী পাওয়া যেতো। শুধু মেধা থাকলেই হবে না , পারিবারিক ইতিহাসও প্রাধান্য পেতো একটা সরকারী চাকরী পাওয়ার যোগ্যতার মাপকাঠিতে। সামাজিক মর্যাদাও ছিল ওদের অনেক বেশী। কিন্তু ঐ যে , সীমিত আয়, তাই ছিলো না প্রাচুর্যতা। সৎ ভাবে উপার্জিত আয়। অবশ্য সে যুগে খুব একটা অসৎ আয়ের সুযোগও ছিল না।

ব্যবসার সুযোগ এখনকার মতো খুব একটা ছিলো না।আর যারা ব্যবসায়ী ছিলেন এখনকার মতো বিলাসবহুল ছিলো না তাদের জীবন। সাদামাটা ই বলা যায়।
ছেলেবেলায় বাড়ীগুলো ছিলো একটু ভিন্ন রকম। বড় বড় অট্টালিকা খুব এটা নজড়ে পরতো না। সবার বাসা ই ছিলো এক তলা অথবা টিন শেডের। সোজা সাপটা প্রয়োজন মতো রুম বানানো হতো। আরকিট্যাক্ট দিয়ে ডিজাইন করা – এ তো ঢাকায় বড় বড় অফিস আদালত বানানোর জন্য। অথবা বিদেশে শুনতাম ডিজাইন করে বাড়ী মানে বহুতল ভবন বানানো হতো। বইতেও পড়েছি।

যাক তখনকার অধিকাংশ বাসার ভেতরে উঠান বা খোলা আংগিনা থাকতো। টিউব ওয়েল ব্যাবহার করা হতো। কল থেকে পানি চেপে কলসী বা বালতিতে সংরক্ষন করা হতো। মহিলারা সেই পানি দিয়ে বাসায় বাথরুমে গোছল করতো ও প্রয়োজনীয় কাজ সারতো। আমরাও ওখানেই গোছল করতাম মায়ের তত্বাবধানে। কিন্তু স্কুল ছুটি থাকলে পাড়ার সব ছেলেরা এক সাথে তালপুকুরে গোছল করতে যেতাম। একটা বয়স পর্যন্ত মেয়েরাও একসাথেই নামতো গোছল করতে। পানি দিয়ে খেলতাম। লাফ ঝাপ দিতাম। ভুলেই যেতাম কখন ঘন্টা পেরিয়ে যেতো। অভাভাবকরা এসে বকা দিয়ে সবাইকে পুকুর থেকে তুলতো। তখনকার দিনে মুরুব্বীরা সবাইকেই শাসন করতে পারতো আবার আমরা মেনেও চলতাম। মুরুব্বীদের মনে হতো অভিভাবক , শাসন তো করবেই।
বিকেলে আবার বড়শী দিয়ে ছোট মাছ ধরলাম।পুঁটি,খলসে,টাকি,টেংরা … মূলত এসবই ছিলো আমাদের শিকার । আর মাছের আধার ছিল আটা আবার মাঝে মাঝে মাটির নীচ থেকে কেচো তুলে বড়শিতে লাগিয়ে মাছ ধরতাম
কি মধুর ছিলো সেই সোনালী দিনগুলো।

বাবা সকালে বাজার করে দিয়ে অফিসে যেতেন ।তখন ছোট মাছ বিক্রি হতো ভাগা (টুকরী থেকে ডালাতে অল্প অল্প করে ভাগ তুলতো) হিসাবে।
অন্যান্য মাছ যেমন রুই , কাতল , বোয়াল,আইড়, চিতল সব মাছই বিক্রি হতো পিছ হিসাবে। তখন কেজি হিসাবে মাছের দাম চিন্তাই করা যেতো না। এমনকি মুরগীও পিছ হিসাবে বিক্রি হতো।

সকাল বেলা ভাত খেয়ে স্কুলে যেতাম ভাই বোনেরা এক সাথে। বিকালে ছুটি হতো। দুপুরে টিফি ন দিতো কলা আর বিস্কিট অধিকাংশ সময়। স্কুলের সামনে থেকে টিফিন পিরিয়ডে আইসক্রিম , চালতার আচার , বড়ইয়ের আচার কিনে খেতাম। ছুটির পরে ব্যাগটা রেখেই খেলতে মাঠে চলে যেতাম।

সবারই মনে হয় একটা কমন ব্যাপার ছিলো ছুটির দিনে। দুপুরে খাওয়ার পরে মায়ের সাথে একসাথে ঘুমানো।
একটু বড় হয়ে ওঠার পর পরই শুয়ে অপেক্ষা করতাম মা কখন ঘুমাবে। উল্টা মা’কে পাহাড়ী দিতাম। তারপর আস্তে আস্তে উঠে সাবধানে দরজায় যেনো শব্দ না হয় এমনভাবে খেলতে চলে যেতাম। আমাদের খেলার বরাদ্দ করা টাইম ছিলো বিকাল ৪ টার পরে। আমি আর আমার ছোট বোনটা এই কাজ করতাম। বড় বোন ছিলো গুড গার্ল। অবশ্য ক্লাসেও ফাষ্ট গার্ল।

আমাদের সময় খেলাধুলার খুব একটা সরন্জাম লাগতো না। যতোটা মনে পড়ে বলছি :
কুতকুত – খুবই কমন ও জনপ্রিয় মেয়েদের খেলা। অবশ্য আমরাও খেলেছি। মাটিতে দাগ কেটে ছোট্ট এক টুকরো চারা ই ছিলো খেলার উপাদ্য।মাটির কলসি ভেংগে মাটিতে ঘষে বর্গাকার বা গোলাকার বানাতে হতে সুন্দর করে। যত্ন করে রেখে দিতো সেটা পরের দিনের জন্য।
আরো কিছু জনপ্রিয় খেলা ছিলো যেমন : বৌ ছি , লুক পলান্তি , গোল্লাছুট , টিলু এক্সপ্রেস , কানামাছি , এক্কা দোক্কা ইত্যাদি।

মেয়েদের একটা খুবই প্রিয় খেলা ছিল পুতুল খেলা।
না না , এখনকার মতো পশমের তৈরী সুন্দর পুতুল তখন পাওয়া যেতো না। মায়ের পুরোনো শাড়ীর আচঁল কেটে মেয়েরা নিজ হাতে পুতুল বানাতো। তাতে কলম দিয়ে নাক , চোখ, মুখ একে দিতো।
আবার দুই বান্ধবী তাদের ছেলে পুতুল আর মেয়ে পুতুলের মধ্যে বিয়ে দিত ঘটা করে।
রং বেরং এর কাপড় দিয়ে পুতুল বানাতো আবার ওদের নামও ছিলো।

ছেলেদের খেলার মধ্যে ছিল দাড়িয়া বান্দা , হা ডু ডু , সাত চারা , বোম বাষ্টিং বা পিঠ ফুটান্তি, ডাংগুলি , পান্জা নড়া শক্তি পরীক্ষা করার জন্য ইত্যাদি। একটু বড় হয়ে ফুটবল আর ক্রিকেট।
আবার কিছু ইনডোর খেলা ছিলো যেমন লুডু , কেরাম বোর্ড ইত্যাদি।

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে ছেলেমেয়ে সবাই মিলে চড়ুই ভাতি খেলতাম। কারো বাসা থেকে পেয়াজ , কারো বাসা থেকে তেল এভাবে ডিম ,ডাল ইত্যাদি যোগাড় করে নিজেরা তুলা বানিয়ে লাকড়ি দিয়ে উঠানে বা ছাদে গিয়ে সবাই মিলে রান্না করে খাওয়া হতো। এটা ছিল সকাল সন্ধা প্রোগরাম।
সবাই মিলে এনজয় করতাম এই চড়ুই ভাতি।

এই ছিলো আমাদের খেলাধুলা আমাদের সময়ে।
মাঝে মাঝে পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যেতাম। সে সময় হিট নায়ক ছিলো রাজ্জাক , আলমগীর , বুলবুল আহমেদ, ফারুক , সোহেল রানা, জাবেদ ,ইসিয়াস কাম্চন , ওয়াশিম উল্লেখযোগ্য।
নায়িকাদের মধ্যে কবরী, শাবানা , সুচরিতা, রোজিনা, ববিতা , জয়শ্রী কবির উল্লেখ যোগ্য। ।

আমাদের তখন আলাদা আলাদা রুম ছিলো না সবার জন্য। বোনরা এক রুমে আর ভাইরা এক রুমে। এভাবেই সাজানো হতো বাসা গুলোকে। আমরা ভাই-বোনরা একই পড়ার টেবিলে পড়তে বসতাম। বড়রা ছোটদের পড়া তদারকি করতো। রান্না ঘর থেকে মা জোরে আওয়াজ দিতো -‘ কি হলো ? আওয়াজ পাই না কেন ? জোরে জোরে পড়। আরেকবার পড় জায়গাটা।” – এখন বড় হয়ে বুঝতে পেরেছি ওটা আসলে আমাদের বুঝানোর জন্য যে আম্মা পড়া শুনছেন এবং সচেতন আছেন। আসলে তেমন কিছু না। হা হা হা।
এ অভিজ্ঞতা নিশ্চই অনেকেরই আছে।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় আরেকটা মজার ব্যাপার হতো। যে প্রথম ঘুমাতে যাবে সে মশারী টানাবে। তাই রাতে প্রতিযোগিতা চলতো কতো বেশী জেগে থাকা যায়। না না , পড়ার জন্য নয়। যেনো মশারী টানাতে না হয়। হা হা হা।
সকালে উঠে আমরা কয়লা দিয়ে দাঁত মাজতাম।পরবর্তীতে একসময় টুথ ব্রাশ পেষ্ট চলে আসলো।
দেশীয় স্নো ছিল তিব্বত, ডিটারজেন্ট পাউডার। কাপড় কাঁচা হতো ৫৭০ বাংলা সাবান দিয়ে। ছোট বল আকারে পাওয়া যেতো। চার টুকরা করে ব্যবহার করা হত। আর গুড়া পাউডার ছিল জেট। একচাটিয়া মার্কেট।

আমাদের ছেলেবেলায় বিশেষ আকর্ষন ছিল পহেলা বৈশাখ। টাউন হল মাঠে বৈশাখী মেলা হতো। সকাল বেলা সবাই মিলে মেলায় যেতাম। মাঠে মাটিতে লোকেরা রকমারী জিনিষ বিক্রির জন্য নিয়ে বসতো। যেমন নানা রকম খেলনা। ছোট ঢোলক, বাঁশের বাশী,মাটির পুতুল , মাটির ঘোড়া, মাটির পাখী, রংগীন চশমা ইত্যাদি। আরও পাওয়া যেতো খাওয়ার জিনিষ যেমন মুরালী,চিনির সাচে গড়া ছোট ছোট ঘোড়া, হাতী পাখি , মুড়ি মুরকী , খই , কদমা ( গুড় ও চিনি) আরও রকমারী খাবার। বৈশাখে সুস্বাদু তরমুজ পাওয়া যেতো। আরেকটা জিনিষ পাওয়া যেতো নাম বেতুন। আজকাল এটা দেখা যায় না আর।

ওহ্ আরেকটা কথা। তখন বাজারে অনেক বড় বড় মাছ পাওয়া যেতো। হিন্দু ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একটা বিশ্বাস যে যতো বড় আশ ওয়ালা মাছ কিনবে তার ঐ বছরের ব্যাবসা ততো ভালো হবে। তাই তারা প্রতিযোগিতা করে বড় মাছ কিনতো।
আর আমাদের বাসায় রান্না হতো পোলাও ,কোরমা , গরুর মাংস এসব। মানে ভালো খাওয়া হতো।
আমরা পহেলা বৈশাখে লেখাপড়া করতাম না। আর আম্মা বলতেন বছরের প্রথমে না পড়লে সারা বছর আর পড়া হবে না। আমার ধারনা সব মায়েরা একই কথা বলতেন।
তখন শুধু বিটিভি ছিলো। পহেলা বৈশাখে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করতো। বিকেল থেকে টিভি ই ছিলো বিশেষ আকর্ষন।

যদি ইলেকশন হতো তখন আমরা সারা রাত বসে টিভি দেখতাম। কারন বাংলা সিনেমা হতো আর ফাকে ফাকে ভোট গননার রেজাল্ট দিতো। এলাকার বন্ধু বান্ধবরা সবাই একসাথে বসে সারারাত জেগে টিভি দেখতাম। ভিন্ন আমেজ। ভুলা যায় না।

জানুয়ারীতে শীতের যখন যৌবন তখন এক্সিবিশন হতো। এটা অনেকটা বর্তমান রপ্তানী মেলার মতো। ছোট ছোট ষ্টল থাকতো। বিশেষ আকর্ষন ছিলো হাউজি মানে অনেকটা কেছিনোর মতো। বয়স্ক লোকদের এটা ছিলো বিশেষ আকর্ষন।

ফুটবল খেলা ছিলো সবার প্রিয় খেলা। বেষ্ট টিম ছিলো আবাহনী , মহানেডান , ব্রাদার্স ইত্যাদি।

ক্রিকেট তখনো তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি।

আরেকটা বিশেষ বিষয় ছিলো। উপযুক্ত ছেলে মেয়েদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠলে তাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিলো প্রেম পত্র। সে যুগে প্রেম পত্র লিখে নাই এমন যুগল ছিলো না বললেই চলে। একসাথে ঘুরাফেরা করা তো অসম্ভব ব্যাপার। শুধু ল্যান্ড ফোন ছিলো। তা ও অভিজাত বাসা গুলোতে। হাতে গোনা কয়েকটা। তাই চিঠি ই একমাত্র অবলম্বন মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য। আর যদি জানাজানি হয়ে যেতো তাহলে তো সর্বনাশ। মেয়েদের বাসা থেকে বের হওয়া নিষেধ।
অভিভাবকদের একটাই বক্তব্য ছিলো – প্রেম করেছে তাই এটা মেনে নেয়া যাবে না। বাস কি আর করা। বাধ্য হয়ে ছেলে মেয়ে বাসা থেকে পালিয়ে বিয়ে করে ফেলতো। সে যুগে পালিয়ে বিয়ের ঘটনা অনেক। এখনকার অভিভাবকরা তুলনায় অনেক শিথিল। তারা অনায়াসে মেনে নেয়। তাই পালানোর কথা বর্তমানে চিন্তাই করা যায় না।
যাক এবার বলি বিয়ে কিভাবে হতো।
কুমিল্লাতে একটাই বিয়ের সেন্টার ছিলো “কুমিল্লা ক্লাব”। সাধারণত সব বিয়ে হতো যার যার বাসার আংগিনায় শামিয়ানা টানিয়ে। শুধু বাবুর্চি ছিলো বাইরে থেকে আনা। কিন্তু কোন বয় ছিলো না সার্ভ করার জন্য। নিজেদের মধ্যে এলাকার বড় ভাইরা সার্ভ করতো।
একটা মজার ব্যাপার ছিলো। ডেজার্ট ছিলো দই। আমার খুব প্রিয় ছিল দই। কিন্তু দই সার্ভ করতে দিত বিশেষ কাউকে যে চামোচের আগা দিয়ে সার্ভ করতে পারে এবং এরপর আর কানে শোনে না। 😅
তাই দাওয়াত খাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ঐ ভাইয়ের সাথে দেখা হলে আমার মেজাজ খারাপ হয়ে যেতো। হা হা হা।

এমনি এমন অনেক ছোট বড় ঘটনা বিজড়িত আমার ছেলবেলা। আজ সবই স্মৃতি … শুধুই স্মৃতি।
ফিরে পেতে ইচ্ছে করে আজও সেই ফেলে আসা হারানো সাদা-কালো দিনগুলি যা কখনোই হবার নয়। হুকের ভতরে অনুক্ষনে অনুরণিত হয়
“দাও ফিরি সে অরন্য … লও এ নগড়”

সীমিত চাহিদা , সামান্য ভোগের সামগ্রী,
ছিলো না প্রাচুর্যতা সাদামাটা জীবন কাটিয়েছি সারাবলা,
তারপরেও পাওয়া না পাওয়ার নাগরদোলায় চড়ে পেরিয়ে এসেছি জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়
আমাদের ছেলেবেলা।।

আলহামদুলিল্লাহ।

••••••••••••••••••••••••••••••
২৩ .০৪.২০২১ মাঝরাত See less


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ